বিষয়বস্তুতে চলুন

কুকি ভাষা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কুকি
কুকি-চীন-মিজো
জাতিতত্ত্বকুকি, চিন, মিজো জনগোষ্ঠী, জোমী, জো জনগোষ্ঠী
ভৌগোলিক বিস্তারবাংলাদেশ, বার্মা, ভারত
ভাষাগত শ্রেণীবিভাগচীনা-তিব্বতীয়
প্রাথমিক রূপ
উপবিভাগ
গ্লটোলগkuki1246  (কুকি-চিন)[]
নীল: পুরাতন কুকি, সবুজ: কুকি-জো, লাল: মধ্য, কমলা: মারাইক, হলুদ: দক্ষিণ, বেগুনি: খমিক

কুকি ভাষা, যা কুকি চিন, মিজো-কুকি-চিন অথবা কুকি-নাগা নামে পরিচিত, বাংলাদেশের পূর্বাংশে, মিয়ানমারের পশ্চিমাংশে এবং উত্তর-পশ্চিম ভারতে প্রচলিত চীনা-তিব্বতীয় ভাষা পরিবারের অন্তঃর্ভূক্ত একটি ভাষা। এই ভাষাভাষী অধিকাংশ জনগোষ্ঠী আসামে কুকি জনগোষ্ঠী, বার্মায় চিন জনগোষ্ঠী নামে পরিচিত। অনেকে স্থানে এরা নাগা জনগোষ্ঠী নামেও পরিচিত। তবে মিজো জনগোষ্ঠী নৃতাত্ত্বিকভাবেই আলাদা।

ভাষাতাত্ত্বিক দলীয় বিভাজনের তুলনায় ভৌগোলিক বিভাজনকে মূখ্য ধরে কুকি ভাষাকে অনেক সময় কুকি-চিন-নাগা ভাষা বলা হয়।

উপশ্রেনী

[সম্পাদনা]

ভাষার সাধারণ বিন্যাস থেকে বলা যায় করবি ভাষা কুকি ভাষার অংশ অথবা কুকি ভাষার সাথে সম্পর্কিত। থুরগুড (২০০৩) এবং ভ্যান ড্রিয়েম (২০১১) করবি ভাষাকে সিনো তিব্বতী ভাষাগোষ্ঠীর মধ্যে অশ্রেণীবদ্ধ হিসেবে রেখে দিয়েছেন।[][] কুকি ভাষার উপভাষাসমূহের মধ্যে পার্থক্য খুবই ক্ষীণ। একদা ম্রো ভাষাকে কুকি ভাষার উপশ্রেণী হিসেবে তালিকাবদ্ধ করা হতো।

আরো পড়ুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. VanBik 2009
  2. হ্যামারস্ট্রোম, হারাল্ড; ফোরকেল, রবার্ট; হাস্পেলম্যাথ, মার্টিন, সম্পাদকগণ (২০১৭)। "কুকি-চিন"গ্লোটোলগ ৩.০ (ইংরেজি ভাষায়)। জেনা, জার্মানি: মানব ইতিহাস বিজ্ঞানের জন্য ম্যাক্স প্লাংক ইনস্টিটিউট।
  3. Thurgood, Graham (2003) "A subgrouping of the Sino-Tibetan languages: The interaction between language contact, change, and inheritance." In G. Thurgood and R. LaPolla, eds., The Sino-Tibetan languages, pp. 13–14. London: Routledge, আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭০০৭-১১২৯-১.
  4. (২০১১a), "Tibeto-Burman subgroups and historical grammar", Himalayan Linguistics Journal, ১০ (1): ৩১–৩৯, ১২ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত, সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০১৫. {{citation}}: অজানা প্যারামিটার |authormask= উপেক্ষা করা হয়েছে (|author-mask= প্রস্তাবিত) (সাহায্য)

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]